Friday, June 28, 2019

#কোপানো #সংস্কৃতি- #দায় #কার

"আমার ছেলেকে কেন জানে মারলো।পঙ্গু করে দিলেও তো আমার বুক আগলে থাকতো " -রিফাতের মায়ের এই অসহায় আকুতি প্রমাণ করে,আমরা অপরাধীদের রুখে দাঁড়াব দূরের কথা, আমরা তাদের কাছে নতজানু হয়ে প্রান ভিক্ষা করা জাতিতে পরিণত হয়েছি যে তোমরা জানে মেরে ফেলো না,পঙ্গু করে হলেও কোনরকমে বাচিয়ে রেখো।
গুম হয়ে যাওয়া মা-বাবারাও আবেদন করে যাচ্ছে আমাদের সন্তানের লাশটুকু অন্তত ফেরত দাও।

হত্যা খুন আগেও হতো তবে তখন তা হতো গোপনে, নির্জনে বা ভাড়াটিয়া দিয়ে। অপরাধীরা প্রকাশ্য হতে ভয় পেতো- পুলিশে ধরবে, গণপিটুনি খাবে, চিন্হিত হলে ফাঁসির কাষ্ঠে ঝুলতে হবে বলে । কিন্তু এখন চিত্র পুরো উল্টো হয়ে গেল কেন? সাধারণ মানুষ কেন অপরাধ প্রতিরোধে এগিয়ে আছে না? মহামান্য হাইকোর্ট পর্যন্ত বলছে এটি সমাজের ব্যর্থতা। কেন সমাজ ব্যর্থ হচ্ছে?

এক কথায় এর উত্তর পাওয়া যাবে না।তবে গুরুত্বপূর্ণ কারনটি বোঝা যায় প্রথম আলোর হেড লাইন থেকে -"বহু অভিযোগ নিয়ে ও তারা দাপিয়ে বেড়াতো"।
মাদক বিক্রি,  সেবন সহ পূর্বেও কোপানোর ইতিহাস রয়েছে তাদের।  তারা বহু মামলার আসামি ছিল। এমনকি পুলিশ অফিসারের বাসায় তান্ডব চালানোর মতন বীরত্ব সূচক কৃতিত্ব ও তাদের রয়েছে। অপরাধের বহু রকম "বিজয় মুকুট " তারা ইতিমধ্যে  অর্জন করে ফেলেছে ।

ফলে প্রকাশ্যে কোপানো সংস্কৃতির ধারাবাহিকতা চলছে। খাদিজাকে কুপিয়েছে,অভিজিৎ, হুমায়ুন আজাদসহ অনেক ব্লগারদের কুপিয়েছে।তাদের তো রয়েছে বর্ণাঢ্য গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস।

 চাপাতি দিয়ে উপর্যুপরি কোপানোরএই বর্বতার উৎস কোথায়?

আমরা হয়তো কিছু তাত্বিক ব্যাখ্যা দাড় করাতে  পারবো,কিন্তু সমাধান যাদের হাতে তাদের সেটি করতে বাধ্য করবে কারা? বিড়ালের গলায় ঘন্টা বাধবে কে?
..........................................................
কারা এর জন্য দায়ী,গলদ কোথায়,প্রতিকার কি?

এ আমার এ তোমার পাপ।

কম বেশী আমরা সবাই দায়ী।কেউই এর দায় এড়াতে পারিনা।পরিবার,সমাজ,প্রতিবেশী,বন্ধুরা,পুলিশ,সুশীল সমাজ,বিচার বিভাগ সর্বোপরি রাজনীতি..  সবাইকে এর কোন না অংশের দায় নিতে হবে।

পরিবারের কথায় আসি:
...............

তোমারে বধিবে যে      গোকুলে বাড়িছে সে

আমার পরিবারে এমন পশু,দানব কি ভাবে সৃষ্টি হলো, যে প্রকাশ্যে মানুষকে কুপিয়ে মারতে চায়।এমনকি
৫ লাখ টাকার মোটর কিনে দেওয়ার পরও নতুন মডেলের আরেকটি মোটর সাইকেল কিনে না দেওয়াতে মা-বাবা  উভয়কে পুড়িয়ে মারে?

গোকুলে এমন পিষাচ কেমনে তৈরী হলো?

সন্তান কি একদিনে বখে যায়?
নাকি আমাদের সন্তান প্রতিপালন পদ্ধতিতে রয়েছে বড় গলদ?

২য়ত:বুঝলাম কোন ভাবে কোন সন্তান বখে গেছে,বিপথে  চলে গেছে।কিন্তু তার বখাটেপনা,অনৈতিক,অসামাজিক,এমনকি অপরাধ মূলক কাজ গুলোও কি আমাদের নজরে পড়বে না? এতই ব্যস্ততা না কি উদাসীনতা আমাদের?

যে ঘাতক আমাকেও বধিবে তার কি কোন পূর্বাভাসই কি আমরা দেখতে পাই না?

সুপারভিশন,মনিটরিং এ তাহলে কি বড় ঘাটতি রয়েছে?

মাদকাসক্ত ছেলে বা মেয়ে এক সময় নিজের মা বাবাকেই  খুন করে ফেলতে পারে, তার এত দিনের বেপরোয়া,সহিংস উন্মাদনা দেখেও কি আমরা অনুধাবন করতে শিখিনি?(ঐশীর কথা মনে পড়ে)।

সন্তান পড়া ফাকি দিয়ে মেয়েদের পিছনে যৌন হয়রানী করে বেড়ায়,মাদক নেয়,চাদাবাজী-মাস্তানী করে বেড়ায়, চুরি ডাকাতি,ছিনতাই এমনকি খুন-খারাবী করে বেড়াচ্ছে, অভিভাবক হিসেবে আমি কিছুই জানি না এমনটি হওয়া কি স্বাভাবিক?

নাকি টের পেয়েও সন্তানের " ক্ষমতা,দাপট" দেখে আরো গর্ব অনুভব করছি,প্রতিবেশীরা আরো সমীহ করে চলে যে ওমুকের বাপ "সম্মান দিয়ে চলো" দেখে বুকের ছাতি বড় হয়ে যাচ্ছ?
নাকি মূর্খ ছেলে কিছু না করেও কাড়ি কাড়ি টাকা "উপার্জন" করছে দেখে সন্তানের অভাবিত "উন্নতিতে" উৎসাহ বোধ করছি?
নাকি সন্তানকে বাগে আনতে পারছেন না?
মাদকাসক্তি ঃ বখে যাওয়া ছেলে গুলো যখন মাদক নেয় তখন তাদের বোধ বুদ্ধি বিবেচনা বোধ সব হারিয়ে ফেলে। তারা তুচ্ছ কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে কান্ডজ্ঞানহীন হয়ে যেকোনো অঘটন ঘটিয়ে ফেলে।

আসি সমাজের কথায়:
এই ছেলে মেয়ে গুলোতো এই এলাকারই সন্তান।যত কুকর্ম,অপকর্ম করে বেশীর ভাগ ত নিজ এলাকায়ই করে।মাদক কেনা-বেচা,ইভ টিজিং,প্রেমের প্রস্তাব,চাদাবাজী- মাস্তানী,খুন-খারাবি সবই তো কোন না কোন সমাজেই ঘটছে?

"সামাজিক সচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধের" কথা আমরা অহরহ বলছি।

সমাজ কি মরে গেছে নাকি পচে গেছে? সব কিছুই ভেঙ্গে পড় ছে কেন?
এ সব অপরাধ কি কালে ভদ্রে একটি দুটি ঘটে, না প্রায়ই ঘটে? এ সবই কি খুব গোপনে,লোক চক্ষুর আড়ালে ঘটে, না অনেক ঘটনা প্রকাশ্য দিবালোকে ঘটে?
তাহলে প্রতিরোধের উদাহরন কোথায়?

আগে এই সমাজে ছোট খাট অপরাধ,ঝগড়া-বিবাদ বা কোন অনাচার হলে স্হানীয় মুরুব্বীরা বিচার সভা বসাতেন।বিবেকবান মুরুব্বীরা  পারিবারিক সামাজিক সঙ্কট গুলোর শান্তিপূর্ন সমাধান করে দিতেন।

এখন তেমন "সামাজিক ন্যায় বিচার" তো নেই,বরং যা আছে সেখানে গোষ্ঠী,পরিবার,দল প্রীতির সভা হয়।ক্ষমতাবানরা পার পেয়ে যায়,বরং প্রশ্রয় পান,দুর্বলদের উপর শাস্তি বা বদনাম দেওয়া হয়(তোমার মেয়েকে সামলাও,তার চরিত্র ঠিক করো)। অথবা বিচারের নামে অবিচার করা হয়,শালিসের নামে  ফতোয়ার নামে  দুর্বলদের উপর অমানবিক শাস্তি প্রদান করা হয়।

সবই হয় "ক্ষমতার" ইকুয়েশন বিবেচনা করে।

২য়ত: চোখের সামনে অপরাধ ঘটলেও কেউ এগিয়ে আসেন না প্রতিরোধ করতে।

কেউ আসেন না ভয়ে নিজে আক্রান্ত হবেন বা পরে টার্গেট হবেন এই আশঙ্কায়।

কেউ ভয় পান পুলিশের ঝামেলার কথা মনে করে।

দূ একজন  সাহস করে এগিয়ে আসলেও তার খেশারত দিতে হয় বিভিন্ন ভাবে( বদরুল পূর্বেও একবার খাদিজাকে প্রকাশ্যে উক্তত্যকরনের সময় কিছু লোক তাকে হাতে নাতে ধরে ফেলে।পরে সে ঐ লোকদের বিরুদ্ধে মামলা করে, পুলিশ ঐ উদ্ধারকারীদের হয়রানী শুরু করে এমনকি তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট ও দেয়--।)-

বুঝুন ঠেলা,যান সমাজ সেবা করতে,অপরাধ দমন করতে

মানবাধিকার সংস্হা,নারীবাদী সংগঠন গুলো তখন কি ভূমিকা নিয়েছিল? এ ভাবে কি ঐ অপরাধী আরো উৎসাহ পেয়ে আরো বেপরোয়া হয়ে উঠেনি?

 ভালো মানুষ গুলোর অন্যায়ের বিপক্ষে দাড়ানোর মেরুদন্ড ভেঙ্গে দেওয়া হয়নি?এরা কি পুনরায়   এ রকম অন্যায়ের প্রতিরোধে  এগিয়ে আসতে উৎসাহ বা সাহস পাবেন?

লক্ষ্য করলে দেখবেন পথে ঘাটে,হাটে বাজারে,যান বাহনে এ রকম অনেক অন্যায় কাজ হচ্ছে,আমরা বেশীর ভাগ ভদ্র(?)লোক এগুলো না দেখার ভান করি,গা বাচিয়ে পাশ কাটিয়ে যাই।
এরকম ছোটখাট অন্যায়,অপরাধ প্রতিরোধ অন্তত সমাজ,গনমানুষ যদি করতে সক্ষম হতো তাহলে ও অনেক অপরাধ কমে আসতো।
কিন্তু  প্রকাশ্য দা এর সামনে দাড়ানোর কথা যারা বলেন তারা নিজেরা ঐ অবস্থায় কি করতেন?

কেন সমাজ এমন হলো?

একটি জীবন্ত,প্রানবন্ত,মানবিক সমাজের তো এমন হওয়ার কথা নয়।
প্রশ্নের উত্তর যেমন জানতে হবে,একে বদলানোর উপায় বের করা আরো জরুরী।

পুলিশ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্হা:

অপরাধের পিছনে আপনার আমার যত দায় থাকুক,অবশেষে অপরাধ দমন,গ্রে
প্তার,আইনের কাছে পৌছানোর সাংবিধানিক দায়িত্ব আইন প্রয়োগকারী সংস্হার।
সঠিক আসামীকে দুরুত ধরার,নিরপরাধীকে হয়রানী না করা,সৎ ভাবে দুরুত চার্জশিট দেওয়া
-- কোন দায়িত্বটি সঠিক ভাবে হচ্ছে?নুসরাতকে বরং উল্টো ওসি মোয়াজ্জেম কি হয়রানিটা করলো?

ঢালাও ভাবে সব পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা ঠিক হবে না এটাঠিক, তবে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন নেই এমন লোক পাওয়া কঠিন।

কেন আইন প্রয়োগকারী সংস্হার লোক সঠিক দায়িত্ব পালন তো করছেন না বরং অপরাধীদের সহযোগীতা দিচ্ছেন বলে অভিযোগ?
টাকা পয়সার লেনদেন,রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ,নৈতিক মানের অবনতি,কম বেতন,ট্রেনিং এর অভাব?

কারন অনেক হতে পারে,তবে সমাধান খুজতে হবে এখনি।

রাজনীতি:

এ বিষয়ে কথা বলা ঝুকির বিষয়।
তার মানে সকল ক্ষমতার উৎস রাজনীতি।
তাই সকল উৎসাহ,অনুপ্রেরনার উৎস রাজনীতি এবং সকল ভয়ের ও উৎস রাজনীতি।
এত ক্ষন যাদের বিভিন্ন ক্ষমতার অপব্যবহারের কথা বললাম তাদের ক্ষমতা নিমিষে হারিয়ে যাবে যদি রাজনীতি পরিশুদ্ধ হয়।

রাজনীতির বিশুদ্ধকরন করবো দূরে থাক প্রতিটি অপরাধকে "রাজনীতিকরনের" ফলে অপরাধ আর স্রেফ অপরাধ থাকছে না তা রাজনীতির খেলায় পরিনত হচ্ছে। তাই  পুলিশ ও বিচার বিভাগের নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিচারের সুযোগ সীমিত হয়ে আছে।

সবশেষে রিফাতের স্ত্রী মুন্নীর সাহসিকতা ও স্বামীর প্রতি ভালোবাসা ও আনুগত্যের প্রশংসা না করলে আমরা নিজেরা অপরাধী হয়ে থাকবো।যারা মাদকাসক্ত ও বখে যাওয়া তারা জোরকরে মুন্নীদের মতন বহু সুন্দরী মেয়েদের বাধ্য করে তাদের সঙ্গে ছবি তুলতে বা ঘুরে বেড়াতে। একসময় তাদের অত্যাচার ও নিপীড়ন থেকে রক্ষা পেতে  তারা ও তাদের অভিভাবক দুরুত অন্যত্র বিয়ে দিয়ে থাকেন।কিন্তু এদের কি শেষ পর্যন্ত সমাজ বা রাস্ট্র রক্ষা করতে পারছে?

Thursday, June 20, 2019

৭-৮ মাইল হেটে, পরেনদীপেরিয়ে ঐ মাঝওর৷ বাড়িতে রাত ২টায় সঙ্আগী ৩ জনসহ লুভর্তা ও ডাল দিয়ে ভাত  খেলো।ভাত কম ছি। মাওলানা বললেন " কম চিবিয়ে খাও,সাথে কয়েকগ্লাস পানি খাও।মনেহবে অনেক খেয়ো,পেটভর"। অথচ এই মাওলাইঅবস্হাপন্ন ভক্তের বাড়িতে ৪-৫ জনের খাবার একাই খেয়ে ফেলতো-সূত্রঃহক কথা   ২৬ মে,১৯৭২                     

Monday, June 10, 2019

সাইকিয়াট্রিস্ট৷ এর জার্নাল-৪৭ ঃশিল্পকলা নয় কলা বিজ্ঞান

ছলা কলা বা শিল্পকলা সমন্ধে জানি আসুন বিজ্ঞানকলা    নিয়ে কিছুজানিঃঃ
কলার গুনঃ
১ তাৎক্ষণি, স্থিতি,, প্রচুর শক্তি যোগান দেয়(যেহেতুসুকরোজ,ফ্রুকটোজ,গ্লুকোজ সবই  প্রচুরপরিমাণে রয়ে))
২ ২টি কলা খেলেই ৯০ মিনিট যথেষ্ট পরিশ্রের কাজ করতে পারবেন(তাই বিশ্বখ্যাত খেলোয়াড়দের১নং পছন্দ কলা)
৩ কলা বিষন্নতা/ডিপ্রেশন দূর করে(এতে ট্রিপ্টোফ্যান থাকে যা সেরোটোনিনে রূপান্তরিতহয়।সেরোটোনিনডিপ্রেশন কমা)
৪ রক্তশূন্যতা দূর করে(যেহেতু আয়রন আ)
৫ উচ্চরক্তচাপ ও স্ট্রোকের ঝুকি কমায়(যেহেতুপ্রচুর পটাসিয়াম   থাকে ও লবন কম থা))
৬ ছাত্রছাত্রীদের ব্রেইন পাওয়ার বাড়ায়
৭ কোষ্ঠকাঠিন্য দূর   করে(যেহেতু প্রচুর ফাইবারথা))
৮ বুক জ্বালা ও এসিডিটির উপশম করে
৯ মশার কামড়ে ক্রিমের চেয়ে ভালো  উপকার
পাবেন
১০ স্নায়ু শান্ত রাখে(যেহেতু প্রচুর বি ভিটামিনআ))
১১ ওজন কমায়  (কার্বোহাইড্রেট গ্রহনের তাগিদকমিয়েরাখে বলে)
১২ শারীরিক মানসিক উভয়বিধ তাপমাত্রা কমিয়ে শীতল রাখে
১৩ কলার ছোলা ঘসে শুকিয়ে নিন।জুতা চকচক করবে
এবং### একটি আপেলের চেয়ে কলায় ৪ গুন বেশি প্রোটিন থা,, দ্বিগুণ বেশি কার্বোহাইড্রেট থাকে,৩ গুণ বেশি ফসফরাস থা,, ৫ গুণ বেশি ভিটামিন-এ ও আয়রন থাকে এবং দ্বিগুণ বেশি অন্যান্য ভিটামিন ও মিনারেল থাকে
## আর কিছু বলতে হ??                                     

                                                   

   

Monday, May 13, 2019

সাইকিয়াট্রিস্ট এর জার্নাল ৪৬ঃপরিবহন শ্রমিকদের দ্বারা কেন ধর্ষণ বেশী হয়

বাসের ড্রাইভার, হেলপারদের দ্বারা নারী ধর্ষণ ও পরে হত্যার ঘটনা প্রায়শই আমরা সংবাদ পত্রের মাধ্যমে জেনে আসছি। কেন পরিবহন শ্রমিকদের দ্বারাই এরকম ঘৃন্য, নৃশংস কাজ বেশি হয়ে থাকে, সে সবের মনো-সামাজিক  বিশ্লেষণ নিয়ে একটি লেখার ইচ্ছে রয়েছে।
তবে আজ  শুধু একটি ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা শেয়ার করে এ নিয়ে স্বল্প দুচারটি কথা বলবো।
ঢাকা থেকে সোনার গা যাচ্ছিলাম বাসে করে। পথিমধ্যে পিছনে শোরগোল শুনে দেখি এক বৃদ্ধ লোক অজ্ঞান হয়ে গেছে। সবাই ওনাকে নিয়ে ব্যস্ত। আমি ও উঠে ওনাকে দেখে বোঝার চেষ্টা করলাম কি হতে পারে ও কি করা যায়।

পাশে তার ছেলেকে জিজ্ঞেস করে জানলাম তিনি হাই প্রেসার ও ডায়েবেটিস এর রোগী। তবে ইনসুলিন নিচ্ছে না এবং আজ রোজা ও ছিলেন না এবং কিছু ক্ষন আগেই নাস্তা করেছেন। তাই সুগার বেশি কমে যাওয়ার ( হাইপোগ্লাসিমিয়া) সম্ভাবনা কিছুটা কম মনে হলো।যাহোক আমরা নিকটেই একটি ক্লিনিকে ওনাকে নামিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করি যাতে প্রাথমিক ইমারজেন্সি চিকিৎসা পায় ও যেহেতু তাদের এম্বুলেন্স রয়েছে দুরুত ঢাকা মেডিকেলে নিতে পারে।

বৃদ্ধ ভদ্রলোক অনেকটা মোটা তাই তাকে তার ছেলে এই অবস্থায় একা নামাতে পারছে না। পিছন থেকে কয়েকজন হেল্পারকে ঢেকে বললো একটু সহযোগিতা করতে। সে সামনের গেইটে দাড়িয়ে বিরক্ত কন্ঠে বলছে, কেন তার আত্মীয় নেই?  আর আপনারাই বা কি করছেন?  তবুও সে উঠে আসেনি।

কোনভাবে আমরা অনেকে মিলে লোকটিকে দরজার কাছে নিয়ে যাই।গেইট থেকে নামানোর সময় হেল্পার লোকটিকে ধরে এমনভাবে নামিয়ে দিলো যেন একটি আপদ বিদায় করত পেরেছে। কোনরকমে নামিয়ে দিয়েই ঝট করে গেইট বন্ধ করে ড্রাইভারকে ইশারা করে দুরুত বাস চালাতে।

আমরা আশংকা করছিলাম রোগী বোধ হয় ঠিক মতন নামতে পারেনি এবং যেভাবে বাস দুরত টান দিয়ে ছেড়ে দিলো না, জানি তারা আহত হলো কিনা।কিন্তু হেল্পার, ড্রাইভারের ভয়ে বা ঝামেলা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য হোক, কেউ কিছু বললো না।

আমি আমার স্বভাবগত প্রতিবাদ করার অভ্যাসের কারনে কিছু বলাতে হেল্পার, ড্রাইভার সহ এমনকি বাস যাত্রীদের কেউ কেউ এ নিয়ে কথা না বাড়াতে বলে। আমার অভিজ্ঞতা ও বলে কিছু বলে লাভ নেই।

অন্যায় হোক এমনকি খুন হোক, পরিবহন শ্রমিকদের বিরুদ্ধে কিছু বললে উল্টো নাজেহাল হতে হবে।

দেশের মানুষ ক্রমশ অনুভুতিহীন হয়ে পড়েছে। চোখের সামনে অন্যায়, অবিচার হলেও প্রতিবাদ, প্রতিরোধ করার কথা ভাবে না।কেউ চায় না ঝামেলায় জড়াতে। সবাই নিজের মানসম্মান বজায় রাখতে বেশি সচেষ্ট।

তবে তরুণ ছাত্ররা কখনো কখনো প্রতিবাদ করে। তবে তারা ও নিস্তার পায় না। সংঘবদ্ধ পরিবহন শ্রমিকরা তাদের ঘেরাও করে কোন এক নিরাপদ জায়গায় নিয়ে অত্যাচার নির্যাতন করে ছেড়ে দেয়। ক্ষেত্র বিশেষে গুমও করে ফেলে।

কিছু দিন আগে এক তরুনকে বাসের আঘাতে আহত করে তাকে সে আহত অবস্থায়ই পাশের খালে ফেলে দিয়ে জীবন্ত মেরে ফেলার মতন নৃশংস ঘটনার কথা আমরা পত্রিকার মারফত জেনেছি।

এক্সিডেন্ট করে আহত করেই তারা ক্ষ্যান্ত হয়নি, আপদ যাতে না থাকে তার জন্য এই নিষ্ঠুর নির্মম লোক গুলো সে মুমূর্ষু তরুনকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো দূরে থাক, তাকে ওখানে এভাবে রেখে দিলেও হয়তো তরুনটি বেচে যেতো। পাষন্ডরা তাকে পানিতে ফেলে মৃত্যু নিশ্চিত করে।

এই অভিজ্ঞতা গুলো আমাদের কি বলে?  পরিবহন শ্রমিকদের অনেকেই (সবাইকে ঢালাও দোষারোপ করা অন্যায্য হবে) বিভিন্ন জোরজবরদস্তি, মারামারি, অন্যায় করতে করতে এমন নির্মম,নিষ্ঠুর হয়ে উঠে যে, তাদের ভিতর মানবিকতার কোমল মনটি পাথরের মতন শক্ত হয়ে যায়।

শুধু এরা কেন যেসব কিশোর তরুণ ছোটকাল থেকে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন  বিষয় নিয়ে শক্তি প্রদর্শন, মাস্তানী করে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে, তাঁরা সবাই পরে একেকজন ক্রিমিনাল ও নিষ্ঠুর হয়ে উঠে।

এছাড়া পরিবহন শ্রমিকরা মদ সহ বিভিন্ন মাদকে অভ্যস্ত হয়ে পড়ে যা তাদেরকে অপরাধী ও নিষ্ঠুর কাজে প্রলুব্ধ করে, সাহসী করে তোলে।

সর্বোপরি এরা থাকে যৌন অতৃপ্ত। পারিবারিক বা বিবাহিত জীবন অনেকের জন্য নামকাওয়াস্তে থাকে। ফলে তারা ক্রমশ অসামাজিক, অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পরে( পতিতালয়ে যাওয়া) । মাদকের কুফল তো থাকেই।

তাহলে ব্যাপারটি দাড়াচ্ছে কিছু ক্ষুধার্ত ( যৌন অতৃপ্ত বা বিকৃত যৌন কামনায় উত্তেজিত)  শক্তিশালী ( পাওয়ারফুল-)  হায়েনার সামনে -  একটি  দুর্বল, নিরীহ শিকার ( নারী)  যখন একাকী, নির্জন এলাকায় পড়ে যায়, তখন এসব হায়েনা পাশবিক শক্তি নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে। খুবলে খুবলে মাংস টেনে হিছড়ে খেতে থাকে। শুধু তাই নয় এরপর এ আপদ রেখে বিপদে পড়বো কেন মনে করে, অবলীলায় ভিক্টিমকে নিষ্ঠুর ভাবে হত্যা করে।

তারা ধর্ষিতা নারীকে ময়লা আবর্জনার মতন বাস ট্রাক থেকে রাস্তায় ছুড়ে ফেলে দেয়।ভাবখানা এমন এটি নোংরা, অপবিত্র জিনিস যা দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে একে দুরুত ফেলে দিয়ে বাসটিকে কল্ঙক ও কদর্য মুক্ত করলো। সর্বোপরি মনে করে কোন প্রমাণ রইলো না আমাদের আর ধরবে কে?
সমাধান নিয়ে সংক্ষেপে বলছি

১। পাওয়ারফুল  বা ক্ষমতাবান হওয়ার যে সিস্টেম পরিবহন খাতে চলে আসছে সেটার দিকে নজর দেওয়া। কোটি কোটি টাকার খেলা যেখানে সেখানে স্হানীয় রাজনীতিবিদ, জনপ্রতিনিধি, মাস্তান গ্রপ,পুলিশ বাহিনী সহ অনেক রথি মহারথীরা জড়িত হয়ে পরে। এরকম অপকর্মের সহযোগী হয়ে তারা ও ক্রমশ মাস্তান, সাহসী, নির্মম,নিষ্ঠুর প্রকৃতির হয়ে উঠে। কিন্তু এ সিন্ডিকেট ভাঙ্গবে কে?

দ্বিতীয়ত এরকম বিপদজনক পরিবেশ ও লোকদের কিভাবে এড়িয়ে চলতে হব কর্মজীবী নারী, ছাত্রী সহ অন্য নারীদের তা জানতে হবে। এ ব্যাপারে খুব সাবধান ও সচেতন হয়ে চলতে হবে। কেননা নিরাপত্তার ব্যাপারটি সর্বশেষে নিজেকেই নিশ্চিত করতে হবে।

৩য়ত দেশের সব নাগরিকের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব সরকারের। এমন সিস্টেম থাকতে হবে যাতে প্রতিটি পরিবহন কখন কি ঘটছে তা মনিটর করা যায় ও তাৎক্ষণিক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া যায় (সিসি ক্যামেরা, অন্য কোন ভাবে পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা বা মালিক পক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের তত্বাবধান ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা -ইত্যাদি) ।

চতুর্থত পরিবহন শ্রমিকদের মাদক গ্রহণ বিষয়ে তল্লাশি, পরীক্ষা নিয়মিত করতে হবে।অন্য যেকোন সেক্টররে তুলনায় এখানে মদ সহ অন্যান্য মাদক গ্রহণের হার অধিক। সম্প্রতি জানা গেছে এদের ৫০% এর চোখের সমস্যা থাকে যা তারা ও জানে না চিকিৎসা তো নেয়ই না।চোখ পরীক্ষা সহ মাদক পরীক্ষা নির্দিষ্ট সময়ের পর পর করার বাধ্যবাধকতা থাকতে হবে।

৫ মত  সামাজিক প্রতিরোধ থাকতে হবে। চোখের সামনে রাস্তা ঘাটে অহরহ অপরাধ ঘটছে আমরা "ভদ্রলোক " সাজতে, মানসম্মান রাখতে বা বিপদ এড়িয়ে চলতে গিয়ে এসবকে এড়িয়ে যাই।কোন সরকার বা আইন এসব পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না যদি না নাগরিকরা এ নিয়ে  সোচ্চার হয়,প্রতিবাদী হয় ও এরকম অন্যায়কে তাৎক্ষণিক রুখে না দাড়ায়।

Friday, May 10, 2019

সাইকিয়াট্রিস্ট এর জার্নাল -৪৫ঃবিখ্যাতরা যখন অখ্যাতদের নকল করে

১। উইলিয়াম শেক্সপিয়ার ঃরবীন্দ্রনাথ থেকে শুরু করে শেক্সপিয়ার সহ অনেক বাঘা বাঘা লেখকই অন্যের লেখা নকল করেছেন। তবে অখ্যাত লেখকদের ও অনেকে নকল করেছেন।
শেক্সপিয়ার তার বিখ্যাত "ওথেলো " নাটকটি নকল করেছেন ইতালির অখ্যাত লেখক সিন্থিয়ার এক ছোট গল্প থেকে।

২। জর্জ অরওয়েল ঃ আ্যনিমেল ফার্ম বা নাইটিন এইটি ফোর এর লেখক জর্জ অরয়েল এর নাম সবাই জানেন। তার নাইটিন এইটি ফোর রুশ লেখক ইউজিন জামিয়াতিন এর "উই" উপন্যাসের নকল।
তাই আমরা চুনোপুঁটিরা কিছু নকল করলে এতো মাইন্ড খাইয়েন না

Tuesday, May 7, 2019

সাইকিয়াট্রিস্ট এর জার্নাল -৪৬ঃআইনস্টাইন কিসের জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন?

ভাববেন না তাঁর বিখ্যাত "আপেক্ষিক তত্ত্বের" জন্য নোবেল পেয়েছিলেন। তিনি নোবেলজয়ী হন "ফটো-তড়িৎ ক্রিয়া" ব্যাখ্যা করার জন্য।
কি সে ফটো তড়িৎ ক্রিয়া?

আসুন একটু খানি বিজ্ঞান চর্চা করিঃ
বর্তমানে আমরা টেলিভিশনে যে ছবি দেখি তা আলো-তড়িৎ ক্রিয়ারই ফল;স্মার্ট ফোন, কম্পিউটার সব কিছু এই আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ফলাফল। সর্বোপরি আলোর কনা ও তরঙ্গ ধর্মের যে আন্তক্রিয়া পরবর্তীতে এটাই "কোয়ান্টাম মেকানিক্স " এর ভিত্তি গড়ে দেয়।

আলো কি কণা না তরঙ্গ? ।তবে কণা তত্ত্ব আগেই বাতিল হয়ে গিয়েছিল। আইনস্টাইন যুগান্তকারী প্রস্তাব করেন যে আলো যুগপৎ তরঙ্গ ও কণা।
কোয়ান্টাম তত্বের উদগাতা ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক আলোর ক্ষুদ্র শক্তি গুচ্ছকে বলেছেন "কোয়ান্টা " বা প্যাকেট। সেখান থেকেই কোয়ান্টাম তত্ব নামটি এসেছে।

আইনস্টাইন আলোর সর্বনিম্ন সেই শক্তির প্যাকেট /কোয়ান্টাকে বললেন "আলোর কণা "। তিনি সেই কণার নাম দিলেন " ফোটন" কণা।
ফোটন ভরহীন কণা তবে গতিশীল ফোটনের ভরবেগ আছে।

ভরবেগ ও শক্তিসম্পন্ন কণাকে তিনি "কামানের গোলার" সাথে তুলনা করেন।তিনি বলেন আলোর কণা কামানের গোলার মতন প্রবল বেগে ধাতুর পরমাণুতে আঘাত হানে, তখন পরমাণুর ভিতর থেকে ইলেকট্রন ছিটকে বেড়িয়ে যায়।

যদি আলো তরঙ্গ  হতো তাহলে  ইলেকট্রন বের হতে প্রায় ৫০০ দিন সময় লাগতো। অথচ বাস্তবতা হচ্ছে মুহূর্তেের মধ্যেই সোডিয়াম ধাতু ইলেকট্রন নির্গত করে ফেলে। সেটি এক ন্যানো সেকেন্ডের মধ্যে।

আলো কণা বলেই ফোটন কণা একটি ইলেকট্রনকে আঘাত করে  এবং ইলেকট্রন ঐ শক্তি গ্রহণ করে তীব্র বেগে বের হয়ে যায়।

যদি তরঙ্গ গুচ্ছ হতো তাহলে নির্দিষ্ট কোন আকার থাকতো না। তখন তরঙ্গের শক্তি ভাগ হয়ে যেতো পরমাণুর সব ইলেকট্রনে।

ফলে একক কোন ইলেকট্রন বের হয়ে আসার মতন পর্যাপ্ত শক্তি পেতো না। আরো অনেক তরঙ্গ ঝাক আসতে হতো কোন ইলেকট্রনকে বের করে দেওয়ার মতন শক্তি সন্চয় করতে। তারমানে অনেক সময় লেগে যেতো।

কিন্তু আলোর তড়িৎ ক্রিয়া কোন কালক্ষেপন করে না। তাই আলো যে এক্ষেত্রে "কণা " হিসেবে কাজ করে এটি ব্যাখ্যা করে আইনস্টাইন নোবেলজয়ী হন

Wednesday, May 1, 2019

ভ্রমণ মালয়েশিয়া -সিঙ্গাপুর ঃঅসমাপ্ত অংশ

পেনাং ভ্রমণ ঃ
১। লংকাভি থেকে পেনাং এলাম-সমুদ্র পথে, জাহাজে করে (এজেন্সি বিমানে নিতে চেয়েছিল।কিন্তু আকাশ পথে দেখার কিছু থাকে না। তাছাড়া জীবনে এই প্রথম জাহাজে সমুদ্র ভ্রমণের সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি)

২। লংকাভির চেয়ে পেনাং সম্পদশালী ও আধুনিক শহর। বেশির ভাগ চাইনিজ।বাংলাদেশী ও কম না।অনেক দোকানী,হোটেল কর্মী বাংলাদেশী।তাই খাবারের সমস্যা তেমন হয়নি।

৩। ঘুরলাম -উল্টা -পাল্টা স্টুডিও তে(অনেকটা ড্রাইভারের প্ররোচনায়।) সেখানে ছবি তোলে। সবই নাকি উল্টো দেখাবে । দেখুন তো আসলেও কি তাই দেখাচ্ছে?  আমার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

৪। টেম্পল ঃ দাড়ানো বৌদ্ধ ও শায়িত বৌদ্ধের টেম্পল। শায়িত বৌদ্ধের এতো বড় মূর্তি নাকি বিশ্বে ৩টি।থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও এটি। তবে আমি তো কক্সবাজারে অনেক বড় শায়িত বৌদ্ধ মূর্তি দেখেছি।

৫।  আকাশ শহর ঃভূমি থেকে অনেক উপরে অতি উচু পাহাড়ের চূড়ায় তারা গড়ে তুলেছে এক নজরকাড়া, নান্দনিক শহর। খাড়া উঁচুতে ট্রেন দিয়ে উঠতে ও নামতে হয়।খুবই থ্রিলিং ব্যাপার।

উচুতে রয়েছে নানাবিধ বিনোদন পয়েন্ট। রয়েছে শত বছরের ব্রিটিশদের নির্মিত অভিজাত বাড়ীগুলো।এছাড়া আশেপাশের পাহাড় গুলোতে রয়েছে আবাসিক এলাকা 
৬। তবে একটি খারাপ অভিজ্ঞতা ও রয়েছে। এজেন্সি যে হোটেল ঠিক করেছে তা দেখতে ভালোই।কিন্তু এসব হোটেলের মূল আকর্ষণ ব্রেকফাস্ট এর বাহারি আয়োজন তাতে ঘাটতি ছিল।
ফলে বউ-ছেলেদের কাছে আমার প্রেস্টিজ ফানা ফানা অবস্থায়